বুধবার, ০৮ Jul ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ‘বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসসহ প্রকৃতিক দুর্যোগ থেকে ভোলাসহ উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করার জন্য বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সমীক্ষা চলছে। সমীক্ষা শেষে হলে বাঁধের উচ্চতা ১৮ ফুট করা হবে’।
আজ শুক্রবার ভোলা সদরের ইলিশাসহ দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও চরফ্যাসন উপজেলায় চলমান বাঁধ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন ও নদীভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসসহ প্রকৃতিক দুর্যোগ থেকে ভোলাসহ উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করার জন্য বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। যা খুব শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে।
মন্ত্রী বলেন, ষাটের দশকে নির্মিত বাঁধের উচ্চতা ছিল ১২ ফুট। কিন্তু এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির উচ্চতা বেড়েছে। তাই সমীক্ষার আলোকে আগামীতে ১৮ ফুট উঁচু করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক উন্নতি লাভ করেছে। আজকে আমরা সাবলম্বীর পথে যাচ্ছি দেখেই অনেক বড় প্রকল্প নিতে পারছি। অতীতে কোনো সরকার এত বড় বড় প্রকল্প নিতে পারেনি। আর এগুলো সম্ভভ হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডেল্টা প্ল্যান ২০২১ সালের আওতায় ৬৪ জেলায়ই খাল খনন করা হচ্ছে। ৯ থেকে ১৫ কিলোমিটার চওড়া নদীগুলোকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ৫ থেকে ৭ কিলোমিটারের মধ্যে নিয়ে আসব। ড্রেজিংয়ের মাটিটা তুলে আমরা এলাকা বাড়াব।
এ সময় সাবেক উপমন্ত্রী ও ভোলা ৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, ভোলা ৩ আসনের সংসদ নূরনবী চৌধুরী শাওন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত সচিব মাহামুদুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এ এম আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ আলম সিদ্দিক, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী ভোলার দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন ও চরফ্যাশন উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন।
নগর কন্ঠ.কম/এআর